দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিশ্ববাজারে হালাল খাদ্যপণ্যের চাহিদা দ্রুত বাড়লেও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হালাল সনদের অভাবে সেই সম্ভাবনার পুরোটা কাজে লাগাতে পারছে না বাংলাদেশ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক মানের সনদ, নীতিগত সহায়তা ও সমন্বিত উদ্যোগ নিশ্চিত করা গেলে হালাল খাদ্য দেশের রপ্তানি আয়ের নতুন শক্তিশালী খাতে পরিণত হতে পারে।
এদিকে, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের হালাল সনদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে কাজ চলছে।
বিশ্বব্যাপী হালাল খাদ্যপণ্যের বাজার বর্তমানে প্রায় ৩ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রতিবছরই এ বাজারের পরিধি বাড়ছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩৪ সালের মধ্যে এর আকার ৪ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে।
ধর্মীয় বিশ্বাসের পাশাপাশি নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত খাদ্যের নিশ্চয়তার কারণে বিশ্বজুড়ে হালাল খাদ্যের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল বর্তমানে এ বাজারের প্রধান চালিকাশক্তি। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও চীন এ খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।
বাংলাদেশি খাদ্যপণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের অন্যতম বড় বাধা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হালাল সনদের অভাব। বর্তমানে বিএসটিআই ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন হালাল সনদ দিলেও অধিকাংশ রপ্তানিকারককে বিদেশি সংস্থার সনদও নিতে হয়।
বিএসটিআইয়ের উপপরিচালক (হালাল সার্টিফিকেশন) এস এম আবু সাঈদ বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের হালাল সনদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞ ড. মমিনুল ইসলাম মনে করেন, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সনদ ও কার্যকর নীতিগত সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে হালাল খাদ্যপণ্যের বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।
অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের মতে, বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি শক্তিশালী হালাল সার্টিফিকেশন কর্তৃপক্ষ গড়ে তোলার বিকল্প নেই।
এমএস/